ঢাকা ১৮র এমপি সাহারা খাতুনের ইফতার পার্টি বনাম হাবিব হাসানের বিতর্কিত ইফতার পার্টি?

0
34

একই দিনে ঢাকা-১৮আসন থেকে নির্বাচিত সাংসদ,মাননীয় সাবেক সফল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রেসিডিয়াম সদস্য,বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এবং ১৮ আসনের #এডভোকেট_সাহারা_খাতুন (এম,পি)র পক্ষ থেকে তার নির্বাচনী এলাকার সকলের জন্য ইফতার ও দোয়ার আয়োজন করা হয়।

আবার তুরাগ নিবাসী আওয়ামীলীগ নেতা হাবিব হাসান ও আজ একই দিন ইফতার পার্টির আয়োজন করেন উত্তরা ১৪ নম্বর সেক্টর মাঠে।
আমি আমার সাংবাদিকতা পেশায় সচক্ষে দেখেছি হাবিব হাসান ভাইকে এমপি সাহারাআপা যখন গত টার্মে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন তখন কত রাজনৈতিক সুবিধা নিয়েছেন। এমপি সাহারা আপাকে হাবিব হাসান ভাই তার নিজ মেয়ের বিয়েতে প্রধান অতিথি করা ছাড়া ও পারিবারিক বহু প্রোগ্রাম এ সামিল করেছেন।

আওয়ামীলীগ এর কেন্দ্রীয় পদপদবী ও এলাকার এমপি হিসেবে ও শ্রদ্ধেয় এড. সাহারা আপা আওয়ামীলীগ নেতা হাবিব হাসান এর অনেক সিনিয়র।আজ এমপি সাহারা আপার ইফতার আয়োজনের দিন ই কেন আওয়ামীলীগ হাবিব হাসান ভাই ইফতার পার্টির আয়োজন করলেন?

আওয়ামীলীগ হাবিব হাসান কি,তাহলে নিজে ইচ্ছে করেই একজন আওয়ামীলীগার হয়ে তার মোষ্ট সিনিয়র নেতাকে তার এলাকার নিজ দলের আওয়ামীলীগ এর এমপিকে অসম্মান করলেন না। হাবিব হাসান আওয়ামীলীগ এর দলীয় বিভেদের দেয়াল তুললেন।এমপি সাহারা আপা যখন স্বরাষ্ট্রমমন্ত্রী তখন এই আওয়ামীলীগ নেতা হাবিব হাসানকে দেখেছি বহুবার এমপির সরকারী বাসভবনে তদ্বির এর জন্য ধর্ণা দিতে, রাজনৈতিক পরিচয়ে সহযোগীতা নিতে।

এসব কি এত দ্রুত ভুলে গেলেন হাবিব হাসান ভাই।আপনি আওয়ামীলীগ নেতা হয়ে যদি আপনার নিজ দলের সিনিয়র নেতা ও এমপি কে সম্মান না দিতে পারেন, উল্টো একই দিনে ইফতার আয়োজন করে তাকে বিব্রত করার চেষ্টা করেছেন,যারা দুইচারজন জুনিয়র নেতাকর্মী আপনাকে অনূসরণ করে তাদের জন্য আপনি দাম্ভিক ইমেজের বার্তা দিলেন? একসময় এসব কর্মীরা নেতা হয়ে উঠলে কি আপনার দেখানোশেখানো পথে ভবিষ্যতে কি আপনাকে অসম্মান করবেনা তার কি গ্যারান্টি দিতে পারবেন হাবিব ভাই। আপনার অনুষ্ঠান এ হাতে গোনাকয়েকজন লোক আর এমপি সাহারা আপার ইফতার পার্টিতে উপচে পড়া হাজার হাজার নেতাকর্মী ও গনমান্য লোকজনের উপস্থিতি হলো। এর থেকে কি কোন বার্তা পেলেন আপনি? হাবিব হাসান ভাই আপনি বঙ্গবন্ধুর সৈনিক আপনাকে সম্মান করি,তাই আপনাকে বলতে চাই আপনি বড় নেতা এমপি মন্ত্রী হতে চাইলে আপনাকে আগে নিজ দল আওয়ামীলীগ এর সিনিয়র নেতা এমপি মন্ত্রীকে সম্মান করতে হবে। বিনয়ী হলে সম্মান করলে লাভ বৈ ক্ষতি হয়না কখনো।

আজো উত্তরা এলাকা তো দুরের কথা, এমপি সাহারা আপার সমকক্ষ এখনো কেউ হয়নি,অন্তত ঢাকা মহানগর উত্তর এ তো নয় ই। তবে দুএকজন নেতা ঢাকা মহানগর এর কমিটিতে পদন্নোতি পাওয়ায় নিজেকে আওয়ামীলীগ এর কেন্দ্রীয় নেতা প্রেসিডিয়াম সদস্যদের চেয়েও নিজকে বলে জাহির করার অপচেষ্টা করছে। আর তার ই ধারাবাহিকতায় হাবিব হাসান এমপি আপাকে অসম্মান করার অপপ্রয়াস চালিয়েছে।আমি শুধু তাকে এটা স্বরণ করিয়ে দিলাম। আর আজকের এড. সাহারা খাতুন এমপির ইফতার পার্টিতে পাচ হাজার এর বেশী নেতাকর্মী ও সর্বসাধারণের যে স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণ তা এমপি সাহারা আপার সততা, যে কোন নেতাকর্মীর দূর্দিনে তাদের পাশে থেকে যে আইনি লড়াই চালিয়ে গেছে তার প্রমাণ বহন করে। তিনি বাংলাদেশের প্রথম সৎ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন যিনি ক্ষমতা থাকা অবস্থায় তার সম্পত্তি ছিল কোটি টাকার নিচে।এমপি সাহারা খাতুন পোড় খাওয়া বিজ্ঞ আইনজ্ঞই নন তিনি বিচক্ষণ প্রবীণ রাজনীতিবিদ।

তবে ভুলে গেলে চলবেনা যে, মিরজাফর আর বৈইমানরা সবসময় নিকটজনের মধ্যেই আবির্ভূত হয়! তাই সাধু সাবধান!

ঢাকা-১৮আসন থেকে নির্বাচিত সাংসদ,মাননীয় সাবেক সফল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও
আয়োজনে উওরা ৬ নাম্বার সেক্টর,উওরা কমিউনিটি সেন্টারে ইফতার ও দোয়া মাহফিলে উত্তরা বিভাগের ১৮ আসনের প্রায় চার হাজার নেতাকর্মী ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, শুভাকাঙ্ক্ষী, সাংবাদিকগন সহ গন্যমান্য লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

আজ হাবিব হাসানের আয়োজিত ইফতারের দুইটি ছবি সংযুক্ত করলাম

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here