৫৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো: কফিল উদ্দিন জনমত জরিপে সবার চেয়ে এগিয়ে

0
213

আলহাজ্ব মো: কফিল উদ্দিন ছাত্র জীবন থেকেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গড়া বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জন্য নিবেদিত প্রাণ কর্মী।প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার আস্থাভাজন বৃহত্তর উত্তরার কৃতি সন্তান সৎ, নির্ভীক মানুষ হিসেবে সর্বজন স্বীকৃত একজন ব্যক্তিত্ব জননেতা তিনি প্রতিবেদকের সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে আলহাজ্ব মো: কফিল উদ্দিন বলেন্, জাতির জনকের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী খাদ্য, শিক্ষা, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও নিরাপত্তা প্রদান করে এখন বর্হিবিশ্বের নেত্রী । তাই একজন আওয়ামীলীগের সক্রিয় কর্মী হিসেবে নির্বাচনে জিতে তিনি ও জনগণ এর সেবা করতে চান। কেন তিনি জনসমর্থনে এগিয়ে? তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ১৯৯০ সন হইতে ২০০০ সন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের ত্যাগী কর্মী হিসেবে আওয়ামীলীগের

কাজ করি।২০১১ সালে হরিরামপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ড হইতে মেম্বার পদপ্রার্থী হিসাবে অংশগ্রহণ করি এবং বিপুল ভোটে জয়লাভ করে ২০১৯ ইং সালের ফ্রেব্রুয়ারী পর্যন্ত নিষ্ঠা ও সততার সাথে দায়িত্ব পালন করেছি। বিভিন্ন ধরনের সামাজিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে নিজেকে আত্মমানবতার সেবায় উৎসর্গ করার লক্ষ্যে বর্তমানে তুরাগ থানার অন্তর্গত নলভোগ কবরস্থান ও ঈদগাহ মাঠ প্রতিষ্ঠিত করেছি। প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে ঈদগাহ ও কবরস্থান সহ নলভোগ হযরত বিল্লাল (রা:) আনহু জামে মসজিদের সভাপতি মদিনাতুল উলূম ফোরকানিয়া মাদ্রাসা এর উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন সহ অন্যান্য সামাজিক কর্মকান্ডের সহিত জড়িত রহিয়াছি। আমি মেম্বার থাকাকালীন পুরাতন রাস্তা পাকাকরন সহ ৯টি নতুন রাস্তা নির্মাণ করেছি। অবশেষে বিনীত আরজ, আপনাদের সন্তান হিসাবে, ভাই হিসাবে আমি ৫৩ নং ওয়ার্ডকে ঢাকা শহরের একটি মডেল ওয়ার্ড গড়ার স্বপ্ন দেখি। ইনশাল্লাহ, এই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করার সক্ষমতা আমার আছে। আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি। তাই সকলের প্রতি আহŸান আবেগ দ্বারা ত্বারিত না হয়ে বিবেক দিয়ে বিচার করে আগামী ১লা ফ্রেব্রুয়ারী আপনার আমানত-মূল্যবান ভোটটি আমার ঝুড়ি মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে মডেল ওয়ার্ড গড়ার সুযোগ দিবেন। আমি আপনাদের মূল্যবান ভোটে নির্বাচিত হলে যে সকল উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করব। আপনাদের দোয়ায় আমি নির্বাচিত হলে ৫৩ নং ওয়ার্ডের সবচেয়ে বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা, ড্রেনেজ সমস্যা। সর্বপ্রথম এ সমস্যা সমাধানে সর্বাত্মক

সংগ্রাম করা। সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে আইনের সু-শাসন নিশ্চিত করা। ৫৩ নং ওয়ার্ডের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান উন্নয়নের উদ্যোগে গ্রহণ। এলাকার অসহায়-গরিব ছেলে মেয়েদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা। সামাজিক অবক্ষয়, ইভটিজিং রোধে সমাজকে সচেতন করে এর বিরুদ্ধে কঠোর উদ্যোগ গ্রহণ ও নারীদের নিরাপদ চলাচলের পরিবেশ নিশ্চিত করা। প্রত্যেক এলাকা ভিত্তিক গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে উন্নয়ন কমিটি করে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা ও প্রতি ৩ মাস অন্তর অন্তর সমন্বয় সভা ডেকে তৃনমূলের মতামতের ভিত্তিতে উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনা করা। ৫৩ নং ওয়ার্ডের ময়লা আবর্জনা ফেলার জন্য ড্যাম্পিং জোন তৈরি করা। পরিচ্ছন্ন ওয়ার্ড গঠনে সকলকে নিয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ। ৫৩ নং ওয়ার্ডের খেলার মাঠগুলো রক্ষা ও সংস্কার করা। ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচির আয়োজন করা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ মন্দির উন্নয়ণে সর্বাত্মক সহযোগীতা করা। সকল ধর্মের মানুষের সৌহার্দ্যপূর্ণ বসবাসের পরিবেশ তৈরি করা। এলাকার ছোট বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যবসা বান্ধব পরিবেশ তৈরী। অত্র এলাকায় কোন স্থায়ী পোষ্ট অফিস নাই। অগ্রাধিকার ভিত্তিক এ এলাকায় একটি ডিজিটালাইজ পোষ্ট অফিস স্থাপন করা। ৫৩ নং ওয়ার্ডে একটি অভিযোগ বক্স থাকবে এবং অভিযোগ গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে সমাধানের উদ্যোগে গ্রহণ করা। কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমকে শক্তিশালী করা। প্রতিটি বাড়িতে আধুনিক মানের হোল্ডিং নম্বর থাকবে এবং প্রতিটি রাস্তার নাম্বার থাকবে। ৫৩ নং ওয়ার্ড এর ছোট বড় প্রতিটি রাস্তায় সোলার সিস্টেম সহ বৈদ্যুতিক ল্যাম্পপোস্ট স্থাপন করা। ৫৩ নং ওয়ার্ডে একটি অভিযোগ বক্স থাকবে এবং অভিযোগ গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে সমাধানের উদ্যোগে গ্রহণ করা। কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমকে শক্তিশালী করা।

প্রতিটি বাড়িতে আধুনিক মানের হোল্ডিং নম্বর থাকবে এবং প্রতিটি রাস্তার নাম্বার থাকবে। ৫৩ নং ওয়ার্ড এর ছোট বড় প্রতিটি রাস্তায় সোলার সিস্টেম সহ বৈদ্যুতিক ল্যাম্পপোস্ট স্থাপন করা। ৫৩ নং ওয়ার্ড এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মূল সড়কগুলোকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে। ৫৩ ওয়ার্ড এর অন্য প্রার্থীদের চেয়ে জনমত জরিপে তাই আমি অনেক এগিয়ে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, গণসংযোগে, প্রচার-প্রচারণায় বাঁধা দিয়ে আর পোস্টার ছিঁড়ে ফেলে গণ রায় তথা ঝুড়ি প্রতীককে জনগণের মন থেকে মুছে ফেলা যাবে না বলে মন্তব্য করেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৫৩নং ওয়ার্ডের স্বতন্ত্র কাউন্সিলর প্রার্থী হাজী মোঃ কফিল উদ্দিন মেম্বর । তিনি বলেন,ভোট ন্যূনতম সুষ্ঠু হলে বিজয় আমার সুনিশ্চিত।’ প্রতিপক্ষের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেছেন, ‘পোস্টার ছেঁড়ার মাধ্যমে আমাকে জনগণের মন থেকে মুছে ফেলতে পারবেন না। এলাকাবাসীর সমর্থনে ন্যায় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে, ৫৩নং ওয়ার্ড বাসীর গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে এ নির্বাচনে আমি অংশগ্রহণ করেছি । এই নির্বাচনে পেশী শক্তি দেখিয়ে অন্য পার্থীরা পোস্টার ছিড়ে ফেলছে, কর্মীদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে ভোট চাইতে বাধা দেওয়া সহ হুমকি ও মিছিলে বাধা দিচ্ছে পোস্টার ছিঁড়ে, বাঁধা দিয়ে গণ রায়কে রুদ্ধ করা যাবে না। বিভিন্ন এলাকা থেকে এসব অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন ও থানা-পুলিশকে অবহিত করা হলেও কোন প্রতিকার মিলছে না। তিনি আরও বলেন, ‘ নির্বাচন কমিশন ন্যূনতম সুষ্ঠু ভাবে এই ওয়ার্ডের ভোটারদের ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করতে সক্ষম হয়, তবে আমাদের ঝুড়ি প্রতীকের বিজয় ঠেকিয়ে রাখতে পারবেনা। তিনি বলেন, আমার পোস্টার ছেঁড়া ও কর্মী সমর্থকদের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা সৃষ্টির মাধ্যমে আওয়ামী লীগের সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী তার নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন। এ বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনকে বারবার অবহিত করলেও তারা এর কার্যকর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করছেনা। আমি আশা করবো নির্বাচন কমিশন এসব বিষয়ে খুব দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। হাজী মোঃ কফিল উদ্দিন মেম্বর বলেন, ‘আমি কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে সর্বপ্রথম এই ওয়ার্ডে দূর্নীতি ও মাদক নির্মূলে কাজ করবো।

প্রতিবেদক ৫৩ ওয়ার্ড এর জনমত জরিপে জানতে পারেন, ৫৩ ওয়ার্ড এর অন্য প্রার্থীদের নামে একাধিক হত্যা মামলা সহ জমি দখল ও নিরহদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী ও ভুমিদস্যুতার একাধিক অভিযোগ আছে।কফিলউদ্দিন মেম্বার এর জনপ্রিয়তা গ্রহণযোগ্যতা বেশী তাই জনসমর্থনে তিনি ল৫৩ ওয়ার্ড এর অন্য প্রার্থীদের চেয়ে অনেক এগিয়ে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here